অভিজ্ঞ এডভোকেট ও ব্যারিস্টারদের সাথে সরাসরি অনলাইনে যোগাযোগ করুন। পারিবারিক, ফৌজদারি, দেওয়ানি, জমি ও ব্যবসায়িক — সকল প্রকার আইনি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পান।
অনলাইন পরামর্শ চালু আছে
এখনই পরামর্শ নিনপারিবারিক বিরোধ থেকে শুরু করে কর্পোরেট আইন — সকল ক্ষেত্রে আমরা পেশাদার ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদান করি।
জমি-জমা, সম্পত্তি বিরোধ, চুক্তি সংক্রান্ত মামলা, ক্ষতিপূরণ দাবি ও দেওয়ানি আপিল সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সেবা।
জামিন, হত্যা মামলা, প্রতারণা, সাইবার অপরাধ, মাদকদ্রব্য, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা।
বিবাহ নিবন্ধন, তালাক, দেনমোহর, সন্তানের হেফাজত, ভরণপোষণ ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত সেবা।
কোম্পানি নিবন্ধন, RJSC ফাইলিং, শেয়ার ট্রান্সফার, কর্পোরেট গভার্ন্যান্স ও ব্যবসায়িক চুক্তি।
ভিসা সহায়তা, নাগরিকত্ব, বিদেশে বসবাসকারীদের আইনি সেবা, ওয়ার্ক পারমিট ও ভ্রমণ সংক্রান্ত পরামর্শ।
দলিল যাচাই, খতিয়ান, নামজারি, মিউটেশন, জমি জরিপ ও সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত আইনি পরামর্শ।
আয়কর রিটার্ন, ভ্যাট নিবন্ধন, কর মামলা, ট্যাক্স প্ল্যানিং ও আন্তর্জাতিক কর পরামর্শ।
সালিশ, মধ্যস্থতা ও আলোচনার মাধ্যমে আদালত বহির্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তি সেবা।
বার কাউন্সিল যাচাইকৃত, অভিজ্ঞ ও পেশাদার এডভোকেটগণ আপনার সেবায় সর্বদা প্রস্তুত।
ভিডিও কল, ফোন কল বা WhatsApp-এর মাধ্যমে সরাসরি এডভোকেটের সাথে কথা বলুন।
আপনার আইনি সমস্যার ধরন নির্বাচন করুন — পারিবারিক, ফৌজদারি, জমি, ব্যবসায়িক বা অন্যান্য।
আপনার সমস্যার ক্ষেত্র অনুযায়ী উপযুক্ত এডভোকেট আপনাকে বরাদ্দ করা হবে।
ভিডিও কল, ফোন কল বা WhatsApp-এর মাধ্যমে এডভোকেটের সাথে সরাসরি কথা বলুন।
এডভোকেট আপনার সমস্যা বিশ্লেষণ করে সমাধানের পথ ও পরবর্তী পদক্ষেপ জানাবেন।
নিচের ফর্ম পূরণ করুন, আমরা শীঘ্রই যোগাযোগ করব
বাংলাদেশের সকল প্রধান আইনি ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষজ্ঞ এডভোকেট রয়েছেন।
বিবাহ, তালাক, দেনমোহর, খোরপোষ, সন্তানের হেফাজত, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ
হত্যা, চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, জামিন, আপিল, রিভিশন
চুক্তি ভঙ্গ, ক্ষতিপূরণ, সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, ঘোষণামূলক মামলা
নামজারি, খতিয়ান, দলিল, জমি জরিপ, খাস জমি, অধিগ্রহণ, ভূমি ট্রাইব্যুনাল
কোম্পানি গঠন, RJSC, পার্টনারশিপ, মার্জার, শেয়ারহোল্ডার বিরোধ
ঋণ আদায়, ব্যাংক জালিয়াতি, লেটার অফ ক্রেডিট, মর্টগেজ, সিকিউরিটিজ
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, অনলাইন প্রতারণা, হ্যাকিং, পরিচয় চুরি, ই-কমার্স
চাকরিচ্যুতি, বেতন দাবি, কারখানা পরিদর্শন, শ্রম আদালত, ট্রেড ইউনিয়ন
আয়কর রিটার্ন, ভ্যাট, কাস্টমস ডিউটি, ট্যাক্স আপিল ট্রাইব্যুনাল
ভিসা, পাসপোর্ট, ওয়ার্ক পারমিট, নাগরিকত্ব, প্রবাসী আইনি সেবা
রিট পিটিশন, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন, সরকারি আদেশ চ্যালেঞ্জ
ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট নিবন্ধন ও সুরক্ষা
সহজ ৫টি ধাপে আপনার আইনি সমস্যার সমাধান করি।
আপনার সমস্যা শুনে প্রাথমিক আইনি মূল্যায়ন করা হয়
প্রাসঙ্গিক দলিল ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা করা হয়
মামলার সর্বোত্তম কৌশল ও পরিকল্পনা তৈরি করা হয়
আদালতে দক্ষতার সাথে আপনার পক্ষে লড়াই করা হয়
রায় বাস্তবায়ন ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হয়
হাজারো সন্তুষ্ট মক্কেলের বিশ্বাস আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
জমি সংক্রান্ত একটি জটিল মামলায় আমি অনেক হতাশ ছিলাম। ন্যায়বাণীর এডভোকেট কামাল সাহেব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে আমার মামলা পরিচালনা করেছেন। মাত্র ৬ মাসে সুরাহা হয়ে গেছে।
পারিবারিক একটি সংবেদনশীল বিষয়ে এডভোকেট ফাতেমা আপা খুবই সহানুভূতিশীল ও পেশাদারভাবে সাহায্য করেছেন। অনলাইনে পরামর্শ নেওয়ার সুবিধা সত্যিই চমৎকার।
প্রবাসে থেকে বাংলাদেশের জমির মামলা পরিচালনা করা কঠিন ছিল। কিন্তু ন্যায়বাণীর অনলাইন সেবার মাধ্যমে সব সহজ হয়ে গেছে। WhatsApp-এ নিয়মিত আপডেট পাই।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক প্যাকেজ বেছে নিন।
আমাদের সেবা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর।
আমাদের ওয়েবসাইটে ফর্ম পূরণ করুন অথবা সরাসরি WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন। আপনার সুবিধামতো সময়ে ভিডিও কল, ফোন কল বা WhatsApp-এর মাধ্যমে এডভোকেটের সাথে কথা বলতে পারবেন।
হ্যাঁ, প্রথম ১৫ মিনিটের প্রাথমিক পরামর্শ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এই সেশনে আপনার সমস্যার প্রাথমিক মূল্যায়ন করা হবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে।
প্রবাসীদের জন্য আমাদের বিশেষ অনলাইন সেবা রয়েছে। ভিডিও কলের মাধ্যমে পরামর্শ, WhatsApp-এ নিয়মিত আপডেট এবং ইমেইলে সকল কাগজপত্র পাঠানো হয়। পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দিয়ে আমরা আপনার পক্ষে সব কাজ সম্পন্ন করি।
হ্যাঁ, আমাদের সকল এডভোকেট বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে সনদপ্রাপ্ত এবং যথাযথভাবে যাচাইকৃত। তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা প্রমাণিত।
মামলার ধরন, জটিলতা ও সময়কাল অনুযায়ী খরচ নির্ধারণ করা হয়। প্রাথমিক পরামর্শের সময়ই সম্ভাব্য খরচের একটি পরিষ্কার ধারণা দেওয়া হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করা যায়। প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক ব্যাংক ট্রান্সফার বা Western Union ব্যবহার করতে পারেন।